জীবন না- জীবিকা আগে:স্বাস্থ্য বিধি নিয়ন্ত্রণ না করতে পারলে মৃত্যুর মিছিল দেখতে হবে…!

মুঃ বাবুল হোসেন বাবলা:৬জুলাই,চট্টগ্রাম

করোনাভাইরাসের আক্রান্ত হয়ে দেশে বিগত ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড ১৬৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে করোনায় মৃত্যু সংখ্যা দাঁড়ালো ১৫ হাজার ৬৬৯ জন(সোমবার বিকেল পর্যন্ত) । করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছইে” সামাজকি দূরত্ব-শারীরিক দূরত্ব কোনটইি তোয়াক্কা করছে না আমজনতা ! সংক্রমণ রোধে সামাজকি দূরত্ব এখন স্লোগানে রূপ নিয়েছে ,সরকার শুরু থেকে স্বাস্থ্য অধদিপ্তর বারবার সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার কথা বল্লেও তা মানছে না সাধারণ মানুষ।

তাছাড়া কভিড-১৯ নামরে এই ভাইরাসরে টিকা বা ঔষধ আবিষ্কার হলেও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা ছাড়া এই ভাইরাসের থাবা বাঁচার কোন উপায় বিশ্ব মহল দেখছেন না। কারখানা গুলো খোলা থাকায় স্বাস্থ্য সুরক্ষার পুরো দায়িত্ব মালিক পক্ষ কে নিতে বলা হলেও দিব্য অফিস ছুটির পরে বাজার, হাটে-ঘাটে সর্বত্রই উন্মুক্ত ভাবে মাস্ক-হ্যান্ড স্যানিটারজার বিহীন স্পর্ষ করছে একে অপরকে।

এছাড়া নগরীর বন্দরটিলা,ইপিজেড, মাইলের মাথা,সল্টগোলা ক্রসিং, হাসপাতাল গেট, স্টিলমিল বাজার, কাটগড় বাজার সহ খোলা স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মানছেন কেউ। কিছু কিচু মসজিদের ইমাম-মোয়াজ্জেম, হাফেজরা করোনায় ভুল ব্যাখার দিয়ে জনগণ কে বিভ্রান্দি করছে। আবার অনেক মসজিদে স্বাস্থ্য বিধির বালাইও মানছেন না ।

রোববার চতুর্থ দিন লকডাউনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত হয়েছে ৮ হাজার ৬৬১ জন। এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত হয়েছে ৯ লাখ ৪৪ হাজার ৯১৭ জন।এ নিয়ে দেশে টানা ৮ দিন শতাধিক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। এর আগে শনিবার করোনায় প্রাণ হারান ১৩৪ জন। এর মধ্যে ২৯ হাজার ৩১৫ জন রোগির নমুনায় শনাক্তের হার ২৮ দশমিক ৯৯ শতাংশ। দেশে এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৬৭ লাখ ২৩ হাজার ৫৬০টি।

মোট পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ০৫ শতাংশ। মারা যাওয়া ১৫৩ জনের মধ্যে ৫১ জনই খুলনার। এছাড়া ঢাকায় ৪৬, চট্টগ্রামে ১৫, রাজশাহীতে ১২, বরিশালে ৩, সিলেটে ২, রংপুরে ১৫ এবং ময়মনসিংহে ৯ জন মারা গেছেন। মারা যাওয়াদের মধ্যে ৯৬ জন পুরুষ এবং ৫৭ জন নারী।

এদের মধ্যে ৯ জন বাসায় মারা গেছেন। ৩ জনকে হাসপাতালে মৃত অবস্থায় আনা হয়েছে। বাকিরা হাসপাতালে মারা গেছেন। এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে মোট মারা যাওয়া ১৫ হাজার ৬৫ জনের মধ্যে পুরুষ ১০ হাজার ৬৭৬ জন এবং নারী ৪ হাজার ৯৮৯ জন।

এ থেকে বলা হচ্ছে এখন জীবন আগে না জীবিকা আগে, যদি জীবিকা আগে হয় ,তাহলে লকডাউন বা শাটডাউন প্রয়োজন আছে কি দেশের সাধারণ -সচেতন নাগরিকরা বারবার প্রশ্ন রাখছেন। জীবন বাাঁচাতে হলেও সরকারের উচিত হবে সর্বাত্মক শাটডাউন খুব জরুরী ,যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী আগামী ২০২২সালে মার্চ পর্যন্ত ”করোনাভাইরাস” স্বাভাবিক না হবার কথা বলছেন অভিজ্ঞ চিকিৎসক,গবেষক ওবৈজ্ঞানিকগণ।

তার পরও বলতে চাই, বাঁচতে হলে মানতে ওজানতে হবেই। আসুন-জীবন বাচাঁয়, জীবিকা সাজায়…………বা সঞ্চিত রাখি বাচাঁর পরে,,,!

Print Friendly, PDF & Email

Related Articles

Back to top button