ইউপি ভোট সফল ও অংশগ্রহণমূলক হয়েছে: দাবি সিইসির

চলমান ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন ‘অংশগ্রহণমূলক ও সফল’ হয়েছে বলে দাবি করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশান কে এম নূরুল হুদা। সেই সঙ্গে গোলযোগ-সহিংসতা নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আগামী নির্বাচনগুলোতে কমিশনের শক্ত অবস্থান থাকবে বলে জানান তিনি।

বুধবার সকালে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিশেষ সভায় সূচনা বক্তব্য দেন সিইসি।

সভায় চার নির্বাচন কমিশনার, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব, স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব, ইসি সচিব,  মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব, ভারপ্রাপ্ত মহাপুলিশ পরিদর্শক, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, আনসার ও ভিডিপি, গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

করোনাভাইস সংক্রমণ পরিস্থিতির উন্নতির মধ্যে ২১ জুন, ২০ সেপ্টেম্বর ও ১১ নভেম্বর ইউপি ভোট হয়েছে।

ইতোমধ্যে ইউপি ভোটে সহিংসতা নিয়ে সবমহলে ব্যাপক সমালোচনার মধ্যে নানা পদক্ষেপ ও তৎপরতা দেখাচ্ছে নির্বাচন আয়োজনকারী সাংবিধানিক সংস্থাটি। এ পর্যন্ত ভোটের আগে-পরে ও ভোটের দিন মিলিয়ে তিন ডজনেরও বেশি লোকের প্রাণহানির তথ্য গণমাধ্যমে এসেছে।

সভার শুরুতে সিইসি কে এম নূরুল হুদা বলেন, “সামগ্রিক অর্থে নির্বাচন সফল হয়েছে। অল্প বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে; দুর্ঘটনা ঘটেছে, হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। যেগুলো কিছুতেই কাম্য নয়। তবুও নির্বাচনের মানদণ্ড যদি ভোট প্রদান হয়, তাহলে আমি বলবো দুই ধাপে নির্বাচনে গড়ে ৭৪ শতাংশ ভোট পড়েছে।”

এবারের ইউপি নির্বাচনে দুই ধাপে ২০টির বেশি দল অংশ নিচ্ছে।

তিনি বলেন, “ আমরা দাবি করি, প্রতিযোগিতামূলক ও অংশগ্রহণমূলক হয়েছে। … পরবর্তী নির্বাচনগেুলোকে সামনে রেখে আজকের সভায় পর্যালোচনা করবো এবং ভবিষ্যতে আরও সঠিক ও শক্তভাবে কিভাবে করা যায় তা নিয়েও আলোচনা করা হবে।”

মার্চে তফসিল ঘোষণা করলেও করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে ভোট বিলম্বে করতে হয়েছে কমিশনকে।

Print Friendly, PDF & Email

Related Articles

Back to top button