চিটাগাং চেম্বার ও বিএমসিসিআই’র মধ্যে সমঝোতা স্মারক সম্পাদন

দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি (সিসিসিআই) এবং বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি (বিএমসিসিআই)’র মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক ০৩ ডিসেম্বর বিকেলে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারস্থ চেম্বার কার্যালয়ে সম্পাদন করা হয়। চিটাগাং চেম্বারের পক্ষে চেম্বার সভাপতি মাহবুুবুল আলম এবং বাংলাদেশ মালয়েশিয়া চেম্বারের পক্ষে সভাপতি রাকিব মোহাম্মদ ফখরুল (রকি) সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে চিটাগাং চেম্বার সহ-সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ তানভীর, পরিচালকবৃন্দ জহিরুল ইসলাম চৌধুরী (আলমগীর), অঞ্জন শেখর দাশ, হাসনাত মোঃ আবু ওবাইদা, নাজমুল করিম চৌধুরী শারুন ও ইঞ্জিনিয়ার ইফতেখার হোসেন, প্রাক্তন পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ, বিএমসিসিআই পরিচালকবৃন্দ কে. এম. মিজানুর রহমান, এ. কে. এম. শামসুজ্জামান, মোঃ মোতাহের হোসেন খান ও সিফাত আহমেদ চৌধুরী, প্রাক্তন কোষাধ্যক্ষ এম. এ. বকর ও সেক্রেটারী হাসানুর রহমান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

চেম্বার সভাপতি মাহবুুবুল আলম বলেন-চিটাগাং চেম্বার ও বিএমসিসিআই’র মধ্যে স্বাক্ষরিত এ সমঝোতা দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। বর্তমানে উভয় দশের মধ্যে বিশাল বাণিজ্য ঘাটতি বিদ্যমান। এ ঘাটতি পূরণে বাংলাদেশী পণ্যের রপ্তানি অনেকগুণ বৃদ্ধি করতে হবে। তিনি এক্ষেত্রে উভয় চেম্বার যৌথভাবে কাজ করার ঘোষণা দেন। তিনি মালয়েশিয়ান বিনিয়োগ আকর্ষণে ও বাংলাদেশী পণ্যের পরিচিতি বৃদ্ধিতে চট্টগ্রামে একটি ‘রোড শো’ আয়োজনের আহবান জানান।

বিএমসিসিআই সভাপতি রাকিব মোহাম্মদ ফখরুল (রকি) বাংলাদেশে এক সময় মালয়েশিয়ার বিশাল বিনিয়োগ ছিল উল্লেখ করে বলেন-উভয় দেশের মধ্যে বিনিয়োগ ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক দীর্ঘ দিনের। মালয়েশিয়ার পোর্ট কেলাং ও অন্যান্য বন্দর বাংলাদেশী আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে ট্রানজিট হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তিনি বাণিজ্য বৃদ্ধিতে এফটিএ সম্পাদনের মাধ্যমে উভয় দেশ উপকৃত হবে বলে মন্তব্য করেন। চেম্বার সহ-সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ তানভীর দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধিতে পিটিএ সম্পাদন, একটি ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করে সমীক্ষা পরিচালনা ও মূল্যায়ন, প্রাথমিকভাবে উভয় দেশের মধ্যে ১০টি করে নির্ধারিত পণ্যের ডিউটি ফ্রি সুবিধা প্রদানের তালিকা প্রস্তুত করা এবং মালয়েশিয়ায় আরএমজি, হোম টেক্সটাইল, ফুটওয়্যার, সিরামিক্স, ফার্মাসিউটিক্যালস ইত্যাদি পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধির উপর গুরুত্বারোপ করেন।

Print Friendly, PDF & Email

Related Articles

Back to top button